সরিষার শুরুটা ছিল এর ঔষধি গুণাগুণের জন্য, রান্নার কাজে এর ব্যবহারটা শুরু অনেক পরে। এই "খারদাল" বা "সরিষার তেল" এ আছে ৬০% মনোসটারেটেড ফ্যাট, ২১% পলিয়ানসটারেটেড ফ্যাট, এবং ১২% সটারেটেড ফ্যাট। এই ফ্যাটগুলোকে উত্তম বা উপকারী ফ্যাট বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও এতে আছে গ্লুকোসিনোলেটস। কিন্তু এতে কোন প্রকার ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন বা মিনেরালস নেই।

এটা আমাদের অনেকেরই জানা যে বিভিন্ন রোগ যেমন- হার্ট, স্কিন, জয়েন্ট পেইন, মাসেল পেইন সারাতে এই তেল এর জুড়ি নেই। গ্রামে দেখা যায়, কোমর বা হাতে পায়ের গিঁটে ব্যাথা হলে, রসুন কুচি, কাল জিরা আর সরিষার তেল মিশিয়ে গরম করে মালিশ করতে। রিসার্চ এ দেখা গেছে সরিষার তেল এ এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ক্যন্সার প্রতিরোধ এ বিশেষ ভুমিকা রাখে। এতে রয়েছে লিনোলেনিক এসিড যা অমেগা ৩ তে পরিবর্তিত হয়ে পাকথলী ও কোলোন ক্যন্সার থেকে বাচানোর ক্ষমতা রাখে। সাউথ ডাকোটা ইউনিভারসিটি ও ঠিক এমন টাই প্রমান করতে সক্ষম হয়েছে। কোলোন ক্যান্সার প্রতিরোধ এ ফিশ ওয়েল এর থেকেও সরিষার তেল বেশি উপকারী ভুমিকা পালন করেছে, যা পরীক্ষা দ্বারা প্রমানিত।

কখনো কি ভেবেছেন, যে কোন তেল আপনার হার্ট কে সুস্থ রাখতে পারে? সরিষার তেলে বিদ্যমান থাকা ফ্যাটি এসিড গুলো (উপরে উল্লেখিত) হার্ট এর ব্যাধি ৫০% কমিয়ে দেয়। আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিকাল নিউট্রিশনের একটি সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা গেছে যে নিয়মিত ডায়েটের অংশ হিসাবে সরিষার তেল কোয়েস্টেরল এবং রক্তচাপ এর পরিমাণ কমিয়ে আপনার হার্ট এর স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। সরিষার তেল খুবই শক্তিশালী একটি প্রাকৃতিক উদ্দীপক, যা ডাইজেশন ও এপেটাইট বৃদ্ধি তে সাহায্য করে আমাদের সুস্থ্য রাখে। শরীরে ম্যাসাজ করার সময় এটি সারকুলেটরি সিস্টেম কে উৎসাহ প্রদান করে থাকে। শরীর অবসাদ থাকলে, কিছুটা সরিষার তেল লাগিয়ে রেখে দিলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই উপকার পাওয়া যায়। ঠান্ডা, জ্বর ও কাশি সাড়াতেও খারদাল / সরিষার তেলের রয়েছে অনন্য ভুমিকা।

চেনাশপে পাচ্ছেন সরোবর এর খাঁটি সরিষার তেল যা দেশী কালো সরিষা থেকে সংগৃহিত। অন্যান্য পণ্যের মতই "সরোবর" প্লাস্টিক প্যাকিং এর স্বাস্থ্য ঝুঁকি পরিহার করতে তাদের "খারদাল সরিষার তেলটি" কাঁচের বোতলে করে সরবরাহ করছে, যে বোতলটি চাইলে আপনি পুনরায় ব্যবহারও করতে পারবেন। অর্ডার করতে চেনাশপ মোবাইল এপটি ইনস্টল করে নিন গুগল প্লে স্টোর থেকে এই লিঙ্কটি ক্লিক করে।